- প্রকাশিত : ২০২৫-১২-০৩
- ৩৯ বার পঠিত
বেগম খালেদা জিয়া এগারো দিন যাবত শুয়ে আছেন এভারকেয়ারের শুভ্র বিছানায়। সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ-পরিচর্যায় তাকে সারিয়ে তোলার প্রানান্ত চেষ্টায় ব্রত দেশী বিদেশী চিকিৎসা বিশেষজ্ঞগণ। আর পুরো বাংলাদেশের সব ধর্মমতের অস্টপ্রহর কাটছে তাঁর সুশ্রুষা কামনা প্রার্থনা, প্রনতিতে। হৃদয়তন্ত্রী ছিড়ে যাচ্ছে মানুষের। যেন আকাশ কাঁদছে,বাতাসে রোনাজারি। জলের কোলাহলেও ভেসে যাচ্ছে তার জন্য রোদন। দেশের সর্বময় প্রাণের স্পন্দন হয়ে উঠেছেন তিনি। প্রতিজন কান পেতে আছেন তার মঙ্গল খবরের শ্রবনাকাংখায়। সুস্থতার অসীম আকুতিতে প্রতীক্ষায় প্রহর কাটছে মানুষের। জায়নামাজে কাঁদছেন পল্লি-জনপদের মানুষ। আল্লাহর কাছে তাদের ’দেশনেত্রী’র প্রাণভিক্ষা চাচ্ছেন। গ্রাম-গঞ্জ-নগর-বন্দন-মফস্বল হতে দলে দলে মানুষ আসছেন ঢাকায়। লোকজন সুসুপ্তি, নিদ্রায় ঊর্ণাজাল ঝেড়ে ফেলে বসুন্ধরায় হাসপাতালের গেটে গিয়ে ভিড় করছেন। এমন বাংলাদেশ কেউ দেখেনি আগে। অভাবনীয় নিখাঁদ নিকষিত দেশপ্রেম-আপোষহীন ধনুর্ভঙ্গ ভাবমূর্তি আর অসামান্য আভিজাত্য বেগম খালেদা জিয়াকে যে জনপ্রিয়তার শিখরে তুলে এনেছে তা এক্ষণে প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি রীতিমত হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের প্রাণ। একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হওয়ার পরও এমন জাতীয় অভিভাবকত্বের স্থান অর্জন করার মতো এক অকল্পনীয় ঘটনা ঘটছে তাকে ঘিরে। চিকিৎসকদের মতে বেগম খালেদা জিয়া এখন মৃত্যুর ঝুঁকিতে।এমন পরিস্থিতিতে তার পুত্র বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে। ৮ হাজার কিলোমিটার দূরের বিলাতে তিনি নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন প্রায় ১৮ বছর। তিনি কেন অসুস্থ মায়ের কাছে ফিরছেন না-তা নিয়ে কতিপয় মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুলুস্থুল চলছে। ’কেন দেশে ফিরছেন না’ -এই জিজ্ঞাসা নিয়ে এক শ্রেণীর মানুষের নিদ্রা টূটে গেছে যেন। পত্রিকা-টকশোতে যে যার মতো করে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করছেন।
নিউজটি শেয়ার করুন
এ জাতীয় আরো খবর..