এছাড়া গত শনিবার বগুড়ায় জেলা জাপার কার্যালয় দখল করে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান গবেষণা কেন্দ্র’র সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। জিএম কাদের এর নেতৃত্বাধীন জাপার মূল অংশের নেতাদের আশঙ্কা, আগামী ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে দলটির সম্ভাবনাময় প্রার্থীদের ওপর হামলা হতে পারে।
দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটেয়ারী দৈনিক বাংলাদেশের খবরকে বলেন, জাপাকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে যেভাবে মব শুরু হয়েছে তা যদি সরকার ও ইসি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাদের নির্বাচনে টিকে থাকা কঠিন হবে। সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকলে জাপার জন্য সম্ভাবনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে আমাদের অনেক জনপ্রিয় প্রার্থীর ওপর হামলা হতে পারে। যারা জাপাকে হুমকি মনে করছে, তারাই সেটি ঘটাতে পারে। সেক্ষেত্রে সরকার ব্যবস্থা না নিলে আমরা ভোট বর্জনও করতে পারি।
তবে, জাপার প্রার্থীদের ওপর এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি।
জাপার দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম বলেন, ২৪৪ আসনে জাপা প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাইয়ে ১৭২ জনকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। গত তিনদিনে আপিলে ২৩ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। অর্থাৎ ১৯৫ জন প্রার্থী ইতোমধ্যে বৈধ। আপিলে আরো কয়েকজনের মনোনয়নপত্র ফিরে পাওয়া গেলে নির্বাচনে ২০০ জনের কাছাকাছি প্রার্থী ‘লাঙল’ প্রতীক নিয়ে মাঠে থাকবেন।