×
সদ্য প্রাপ্ত:
ইরানে রেজা পাহলভির সমর্থন আদায়ের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ট্রাম্প জামায়াত জোটে টানাপড়েন প্লাস্টিক আমাদের শরীরের রক্তে, ফুসফুসে, মায়ের দুধে পাওয়া যাচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, মার্কিন কূটনীতিকদের বললেন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে রিকশা ও ভ্যানচালকদের মতবিনিময় ২২ জানুয়ারি প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ শুরু মুসলিম ব্রাদারহুডের ৩ শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করল ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনী মাঠে টেকা নিয়ে ক্রমেই শঙ্কা বাড়ছে জাপা প্রার্থীদের ৮০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার প্রকল্প বাতিল, ধারণকৃত ১৪৬৪০ ভিডিওর কী হবে? যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০১-০১
  • ১৬ বার পঠিত

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে বুধবার প্রকাশিত হলফনামা অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের চেয়ে বেশি।

হলফনামায় দেখা গেছে, নাহিদ ইসলামের পরামর্শক পেশা থেকে বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। নগদ অর্থ হিসেবে তার কাছে রয়েছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে প্রায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এছাড়া অর্জনকালীন স্বর্ণালঙ্কার, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্রও উল্লেখযোগ্য। নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

তারেক রহমানের মোট সম্পদের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে তার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, যা মূলত শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, বন্ড ও ব্যাংক আমানত থেকে এসেছে। তার নিজের নগদ ও ব্যাংক আমানত ৩১ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৬৬ লাখ টাকা। এফডিআর রয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকার। তার বিরুদ্ধে আগে করা ৭৭টি মামলার সবকটি খালাস বা অব্যাহতির মাধ্যমে সমাধান হয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় তুলনামূলকভাবে কম, ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে নগদ অর্থের পরিমাণ ৬০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, যা তিন প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার মোট সম্পদ ১ কোটি ৪৯ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭৪ টাকা। এছাড়া তার নামে ১১.৭৭ শতক জমিতে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি, কৃষিজমি, যানবাহন, আসবাবপত্র এবং শেয়ার ও বন্ড রয়েছে। চলতি অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩০ হাজার টাকা।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সম্পদের দিক থেকে তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান এগিয়ে থাকলেও বার্ষিক আয় নাহিদেরই বেশি।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামায় দেওয়া তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করতে বাধ্য। অসত্য তথ্য প্রমাণিত হলে নির্বাচনের পরও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat