বিকেল ৩টার পর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। কিছু সময় পর প্রথম দফার অস্ত্রোপচার শেষ করা হয় এবং এরপর তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে তার মস্তিষ্কে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করা হয়।চিকিৎসক দল জানিয়েছে, দুটি ধাপেই অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীরাও হাসপাতালের বাইরে অবস্থান করে তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন।
শুক্রবার দুপুরে অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে গিয়ে তার স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।
মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
বিএনপির এ নেতার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে অধ্যাপক আলী উজ্জামান জোয়ার্দার, অধ্যাপক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার, অধ্যাপক রাজিউল হক, সৈয়দ অধ্যাপক সাঈদ আহমেদ, অধ্যাপক কাদের শেখ, অধ্যাপক শফিকুল ইসলামসহ এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকেরা রয়েছেন।
গত বুধবার ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে মির্জা আব্বাসকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।