×
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৩-৩০
  • ৭ বার পঠিত
সংসদ ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হলে দেশেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তিনি অধিবেশনে ৭১ বিধি ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা স্থগিত রেখে সংবিধান সংস্কার নিয়ে আলোচনার দাবি তুলেন।রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনের শুরুতে নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানান তিনি। একই সঙ্গে সংসদে কোরআনের আয়াত ও হজরত আবু বকর (রা.)-এর শাসনামলের উদাহরণ তুলে ধরায় তাকে ধন্যবাদ জানান।

ডেপুটি স্পিকারের নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের জনগণ এমনই একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা হবে সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি উল্লেখ করেন, ডেপুটি স্পিকারের চেয়ারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এখান থেকে ন্যায়বিচারের বার্তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। ডেপুটি স্পিকার যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং যার যা প্রাপ্য তা নিশ্চিত করেন, তবে বিরোধী দল তার সব যৌক্তিক পদক্ষেপে সহযোগিতা করবে।মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া স্বাভাবিক-এ কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ডেপুটি স্পিকার যদি কোনো ভুল করেন, তবে তা গঠনমূলকভাবে সংশোধনে সহযোগিতা করবে বিরোধী দল।

অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের (আদেশ নং: ১) অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি জানান। এ সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাতীয় সংসদ। এ নিয়ে আজ (রোববার) সংসদ অধিবেশনে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক বাদানুবাদ ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে।

একটি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাননীয় স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি যথাযথভাবে নোটিশ জমা দিয়েছি। জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর আলোকে আমি এই নোটিশটি উত্থাপন করছি। আপনি আলোচনার জন্য এটি মঞ্জুর করবেন বলে বিশ্বাস করি।’

তার এই বক্তব্যের পরপরই সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সংসদীয় রীতি অনুযায়ী তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন এবং ৭১ বিধি শেষ হওয়ার পরই যেকোনো বিষয় উত্থাপন করা হয়।’ তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে বিধি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দিতে দাঁড়ালে পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে ওঠে। মন্ত্রী পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে চাইলে স্পিকার তাকে বারবার মূল বক্তব্যে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। স্পিকার তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, আপনি দয়া করে আপনার কথা শেষ করুন।’ জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনি অনুমতি না দিলে দিস ইজ মাই পয়েন্ট অব অর্ডার।’

পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাব নিয়ে সরকারেরও বলার আছে। তবে সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশ্নোত্তর পর্ব ও ৭

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat