×
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-২১
  • ২৯ বার পঠিত
কাতার বিশ্বকাপে স্বাগতম
অপেক্ষার প্রহর ফুরোবে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই। কাতারের আল বায়ত স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হওয়ার কথা বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যান্ড বিটিএসের গায়ক জাংকুক ও কাতারের ফাহাদ আল–কুবাইশি বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘ড্রিমারস’–এ পারফর্ম করবেন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে শীতকালে এটাই প্রথম আসর। আরব বিশ্বেও এই প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বকাপ। আর বিশ্বকাপে প্রথম কোরিয়ান হিসেবে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন জাংকুক। এশিয়ায় এটি দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। ২০০২ সালে জাপান–কোরিয়া বিশ্বকাপে সিউলের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান ছিল চোখ ধাঁধানো।

৬০ হাজার আসনবিশিষ্ট আল বায়ত স্টেডিয়ামে ছড়ানো হবে আলোর রোশনাই। চোখ ধাঁধানো আতশবাজির জন্য উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সময় রাতে করা হচ্ছে।

আল বায়ত স্টেডিয়ামে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে। প্রথম ম্যাচে ‘এ’ গ্রুপ থেকে কাতারের মুখোমুখি হবে লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর।

কাতার বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২১ নভেম্বর। সে অনুযায়ী, কাতারের ম্যাচটি হতো দিনের তৃতীয় খেলা। কিন্তু বিশ্বকাপের প্রথা যেহেতু প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকরা মাঠে নামবে, তাই বিশ্বকাপের শুরু একদিন এগিয়ে এনে উদ্ধোধনী দিনে কাতারের ম্যাচ রাখা হয়েছে।

বিশ্বকাপে দর্শনার্থী, সমর্থক ও গ্যালারির দর্শক মিলিয়ে প্রায় দেড় মিলিয়ন ফুটবলপ্রেমীকে পাওয়ার আশা করছে কাতার। মাত্র ৩ মিলিয়ন জনগনের দেশ কাতার বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম। ১৮ ডিসেম্বর লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

বিশ্বকাপ ট্রফির পাশে মার্সেল দেশাই
১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্সের সাবেক ডিফেন্ডার মার্সেল দেশাই এই মাত্র বিশ্বকাপ ট্রফির পাশে পােজ দিলেন। বিশ্বকাপ ট্রফি মাঠে একটি শোকেসের মধ্যে রাখা হয়েছে।

আল বায়ত স্টেডিয়ামে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমিয়েছেন দর্শক। এর মধ্যে সিংহভাগই কাতার ও ইকুয়েডরের সমর্থক। স্টেডিয়ামের একাংশ হলুদ এবং অন্য অংশে সাদা রংয়ের ঢেউ।

মরগান ফ্রিম্যান!

হলিউড কিংবদন্তি মরগান ফ্রিম্যান হাজির হলেন উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে! শুরুর গান শেষে মাঠের মঞ্চে এসে মাতালেন ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন’ অভিনেতা।

ওলে! ওলে! ওলে!
ড্রামের আওয়াজ ও নৃত্যের ঝংকারে কেঁপে উঠছে আল বায়ত স্টেডিয়াম। অংশগ্রহনকারী ৩২টি দেশের পতাকা ও জার্সি পরে নৃত্যরত পারফরমাররা মুগ্ধ করে রেখেছেন দর্শককে।

রিকি মার্টিন ও শাকিরা না থেকেও আছেন!
১৯৯৮ বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে পুয়ের্তোরিকান গায়ক রিকি মার্টিনের ‘আলে! আলে! আলে!’ গান মনে করিয়ে দিলেন কাতার বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের পারফরমাররা। এরপরই ২০১০ বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানটিও পারফর্ম করা হয়। এ ছাড়াও ২০১৪ বিশ্বকাপে পিটবুল, জেনিফার লোপেজের গাওয়া ‘ওলে ওলা’ গানও পারফর্ম করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএসের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জাংকুক এখন মঞ্চে। কাতার বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘ড্রিমারস’ গাইছেন তিনি। বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রথম কোরিয়ান হিসেবে পারফর্ম করলেন জাংকুক। তিনি সুরের ঝড় তোলার সময় কাতার বিশ্বকাপের মাসকট লা’ইবও পারফর্ম করে মঞ্চে।

জাংকুকের সঙ্গে গেয়েছেন কাতারের গায়ক ফাহাদ আল কুবাইশি।

বিশ্বকাপে স্বাগত জানালেন কাতারের আমির
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি স্বাগত জানালেন দর্শককে। উদ্ধোধনী ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘মানুষে মানুষে বিভেদ ভুলে এই ঐক্য দেখতে কী দারুণ লাগছে! বিশ্বকে দোহায় স্বাগতম!’

আতশবাজির সঙ্গে শেষ হলো অনুষ্ঠান
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের শেষ চমক ছিল আলোর রোশনাই ছড়ানো আতশবাজি। আলোকিত হলো আল বায়ত স্টেডিয়াম। পর্দা উঠল কাতার বিশ্বকাপের!

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat