×
  • প্রকাশিত : ২০২২-১১-০৫
  • ৭৩ বার পঠিত
শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না, শিক্ষা মানুষকে সভ্য,বিনয়ী,মার্জিত করে। জাতিগত উন্নয়ন সাধনের মূল উপায় হলো শিক্ষা। যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত বেশি উন্নত। একমাত্র সুশিক্ষাই পারে মানুষকে অন্ধকারাচ্ছন্ন জগৎ থেকে আলোর জগতে ফিরিয়ে আনতে। যার ভেতর শিক্ষা নেই, সে পশুর সমান। শিক্ষাই পারে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্প্রীতি, ভালোবাসা গড়তে আর সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে সমৃদ্ধি করতে।

সুন্দর মনের জন্য চাই সুশিক্ষা অর্জন। শিক্ষাই পারে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্প্রীতি, ভালোবাসা গড়তে আর সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে সমৃদ্ধি করতে। যে কোনো মাধ্যম থেকে শিক্ষা গ্রহণ শেষে এর মর্ম অনুধাবন করতঃ সমাজ ও জাতি গঠনে যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করণের জন্য প্রয়োজনীয় ধ্যান-ধারণার পরিস্ফুটন ঘটিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে পারলেই আমরা শিক্ষাকে সুশিক্ষা হিসেবে আত্মস্থ করতে পারবো। এ ধরনের মনোবৃত্তির অভাবে শিক্ষা কখনও-ই সুশিক্ষায় পরিণত হবে না। কোনো শিক্ষাই সকল ক্ষেত্রে সুফল বয়ে আনতে পারে না, যদি না শিক্ষার সফল যথাযথ প্রয়োগ না ঘটে ।

অর্জিত জ্ঞানকে ভাল-মন্দের পার্থক্যের ভিত্তিতে ফলপ্রসূ ব্যবহার করতে না পারলে শিক্ষাকে সুশিক্ষায় রূপদান করা কখনো সম্ভব নয়। লব্দ জ্ঞানকে ভাল-মন্দ বিবেচনা সাপেক্ষে ব্যবহার করতে না পারলে শিক্ষাকে সুশিক্ষা বলা যাবে না। আমাদের দেশের তরুণ-তরুণীরা চায় শুধু পুথিগত বিদ্যা অর্জন করতে; কিন্তু পুথিগত বিদ্যার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষা অর্জন করা সব সময় দরকার । পড়ালেখা শেষ করার পর তারা নানা জায়গায় চাকুরী খোঁজ করার পরও চাকুরী পায় না। ফলে তারা নিজেদের ভাগ্যের দোষ দেয়। তারা যদি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষা অর্জন করত তাহলে তাদের আজ এ দশা হতো না। তাই সব শ্রেণির মানুষের উচিত, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হওয়া।

বাংলাদেশ সরকার দেশের শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করার লক্ষ্যে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে । শুধু তা-ই নয়, পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে তৈরি করতে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই।

কৃষিবিদ এম. জেড. আর বাদল।
কৃষি ব্যক্তিত্য ও কলামিস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat